সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এখন থেকে পরীক্ষক ও প্রশ্নকর্তাদের কাজের তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষণ করবে। যাতে খাতা দেখা বা প্রশ্নপত্র তৈরি করার ক্ষেত্রে তাঁদের কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন যথাযথ ও সহজ হয়। পিএসসি বলছে, কোনো পরীক্ষক বা প্রশ্নকর্তার কাজের মান সন্তোষজনক না হলে তাঁকে আর কাজ দেওয়া হবে না।

পিএসসির একাধিক সূত্র জানায়, ৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ নিয়ে জটিলতায় পড়েছে পিএসসি। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ৩১৮ জন পরীক্ষকের ‘ভুলের’ কারণে ফল প্রকাশে দেরি হচ্ছে। এ পটভূমিতে পরীক্ষকদের তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় পিএসসির বিশেষজ্ঞ দল।

সরকারি সব চাকরির (ক্যাডার পদ বাদে) আবেদন ফি পুনরায় নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরির জন্য এই ফি প্রযোজ্য হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানা গেছে।

 প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৯ম গ্রেড বা এর বেশি গ্রেডভুক্ত (নন–ক্যাডার) পদে আবেদন ফি ৬০০ টাকা, ১০ম গ্রেডের পদে আবেদন ফি ৫০০ টাকা, ১১ থেকে ১২তম গ্রেডের জন্য ৩০০ টাকা, ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের জন্য ২০০ টাকা এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্বে প্রতিদিন ১৯ হাজার ৭০০ জন ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে। সে হিসাবে প্রতি চার সেকেন্ডে মারা যাচ্ছেন একজন। এ অবস্থায় ‘বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা সংকটের অবসান ঘটাতে’ আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে প্রায় আড়াই শ’ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও)। খবর-এএফপি।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) অক্সফাম, সেভ দ্য চিলড্রেন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালসহ পঁচাত্তরটি দেশের ২৩৮টি সংস্থা এ আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের জন্য নিউইয়র্কে জড়ো হওয়া বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠি দিয়েছে এনজিওগুলো।দিন দিন ক্ষুধার মাত্রা আকাশচুম্বী হওয়ায় চিঠিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। চিঠিতে বলা হয়, এটি বিস্ময়কর! পৃথিবীর সাড়ে ৩৪ কোটি মানুষ বর্তমানে তীব্র ক্ষুধার সম্মুখীন হচ্ছে। ২০১৯ সাল থেকে এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।